আজ-  ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - ১লা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি


সময় শিরোনাম:
«» শমশেরনগর ইসলামিক মিশনে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত «» কমলগঞ্জে দূর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব সম্পন্ন ; চ্যাম্পিয়ন কমলগঞ্জ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় «» এম.নাসের রহমান এমপি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড রেটিং দাবা টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন «» শহীদ জিয়ার আদর্শে তৃণমূল থেকে উঠে আসাছাত্রদল,যুবদল হয়ে বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। «» ১৭/০৫/২০২৬মৌলভীবাজার চা-শ্রমিক সংঘের শ্রম মন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি «» বৃটেনে নিউপোর্ট রয়্যালস স্পোর্টস ক্লাবের উৎসবমুখর পরিবেশে জার্সি উন্মোচন «» ক্যামেলিয়া হাসপাতাল চালু, ঐশী রবিদাসের মৃত্যুর যথাযথ তদন্তসহ ৪ দফা দাবিতে চা-শ্রমিকদের স্বারকলিপি প্রদান «» সময় বাড়লো! দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০২৬-এর জন্য প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বর্ধিত শেষ তারিখ ৩১ মে ২০২৬ «» শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথমবারের মতো ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত «» বগুড়া আদমদীঘিতে ঝড়ে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন এলাকা

আদমদীঘি উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ ৩ ভবনে চলে দাপ্তরিক কাজ, নেই প্রধান ৬ কর্মকর্তা  

 সজীব হাসান,  স্টাফ রিপোর্টার: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে দাপ্তরিক কাজ। আবার দীর্ঘদিন ধরে নেই উপজেলায় ৬ জন প্রধান কর্মকর্তা। একেতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন, তার ওপরে আবার নেই কর্মকর্তা। সব মিলিয়ে যেন এক সংকটাপন্ন অবস্থা। তবে ইউএনও বলছেন সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও সমাজ সেবা অফিসের ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছেন এসব দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কোনো কোনো দপ্তরে সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। আবার খসে পড়ছে ছাদের প্লাস্টারও। সেই সাথে এই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ৬টি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এসব দপ্তরের মধ্যে রয়েছে- উপজেলা নির্বাচন অফিস, সমবায় অফিস, মহিলা বিষয়ক দপ্তর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও পরিবার পরিকল্পনা অফিস। উপজেলা মহিলা বিষয়ক দপ্তরে মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে আসা সাদিয়া আক্তার জানান, এই অফিসে ঢুকতেই ভয় লাগে। দক্ষিণ দিকের প্রাচীরটি গাছের গুড়ির ঠেস দিয়ে ধরে রেখেছে। যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।  উপজেলা এনজিও সমন্বয় ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম বলেন, সমাজসেবা অফিসের দেওয়ালগুলোর অবস্থা ভালো নয়। বিভিন্ন জায়গায় শ্যাওলা ধরে প্লাস্টার খুলে গেছে। সেই সাথে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অবস্থাও প্রায় একই রকম। এমন পরিস্থিতির মধ্যে নেই আবার গুরুত্বপূর্ণ ৬টি দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা। সেবা নিতে আসা মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি জানান, অনেক সময় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সব ধরনের সীদ্ধান্ত নিতে পারেন না। প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় আমাদের ভোগান্তী পোহাতে হচ্ছে। এই সমস্যা দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার। তা না হলে ভোগান্তী আরো দীর্ঘ হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম জানান, সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।